করোনার জেরে ‘সেক্স বাজারেও’ ধস! খদ্দেরদের জন্য অন্য উপায়

ব্যবসা

করোনার জের৷ শেয়ার বাজারে ধসে তো নেমেছেই, এবার সেক্সের বাজারেও অন্ধকার নেমে এসেছে! বিশ্বের প্রাচীন এই ব্যবসায় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেকেই৷ এমনকি যে সব মহিলারা দেহব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তারও এখন আর খদ্দেরদের সামনে আসতে চাইছেন না৷ পাছে শরীরে ছড়ায় করোনার জীবাণু!


করোনার সঙ্গে জুঝতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে এই সব বেশ্যালয়ে৷ এতদিন শুধু ঘর সুন্দর করে সাজানো বা হাল্কা সুগন্ধি ছড়ানোর ব্যবস্থা ছিল৷ এবার তার সঙ্গে জুড়েছে স্যানিটাইজার এবং জীবাণুরোধের ওষুধ৷ বেসিনের পাশে রাখা থাকছে সাবান ও স্যানিটাইজার৷


এছাড়াও নিয়মিত বিছানার চাদর, ব্যবহৃত তোয়ালে গরম জলে ধোয়া হচ্ছে৷ নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে জানলা-দরজা খুলে রাখতে যাতে ঘরে আলো বাতাস থাকে৷ কোনও ভাবে ঘর ভ্যাপসা যেন না থাকে৷ কিন্তু এসব করেও খদ্দেরদের দেখা মিলছে খুবই কম৷


জার্মানি শহর, যেখানে দেহব্যবসা আইনসিদ্ধ, সেখানে প্রায় ১ থেকে ২লক্ষ কর্মী ভীত হয়ে পড়েছেন৷ কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে যে অনেকে পুরোপুরি এই ব্যবসাকে বিদায় জানাচ্ছে করোনা আতঙ্কে৷ সতর্ক থাকতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন অনেকে৷ কারণ করোনার কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই আর এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় আইসোলেশন৷
এর জন্য জার্মানির বার্লিন শহরে অনেক যৌনকর্মীকে বাড়ি ভাড়া দিতে অস্বীকার করা হচ্ছে৷ এরা মূলত স্বনির্ভর ভাবে কাজ করে৷ তাই করোনার সতর্কতা হিসেব যেভাবে নামী সংস্থাগুলিকে সাহায্য করবে জার্মান সরকার, যৌনকর্মীরা তার এক ভাগও পাবেন না৷ তাই অনেকে বাধ্য হয়েই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন৷

ইওরোপ জুড়ে প্রতিটি বেশ্যালয় বা সেক্স ক্লাবের এখন একই অবস্থা৷ অনেক যৌনকর্মী বলছেন যে সামান্য সেভিংসের টাকা দিয়ে কিছুদিন পর্যন্ত তারা চালাতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু তা বেশিদিন সম্ভব নয়৷

এই মন্দার সময় অনেকে আবার অন্য ধান্দায় মন দিয়েছেন৷ অনলাইন পর্ন ভিডিও বানাতে শুরু করেছেন অনেকেই৷ তবে করোনার ভয় কাটবে এবং আবার ছন্দে ফিরবে তাদের এই ব্যবসা আশাবাদী ইওরোপের সকল যৌনকর্মী৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *