ফের বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাস চত্বরে নয়া বিক্ষোভ, ঘেরা হচ্ছে সঙ্গীত ভবন

খবর শিক্ষা-কর্ম

সুরজিৎ আঁকুড়েঃ- একের পর এক বিক্ষোভ শান্তিনিকেতনে। মেলারমাঠে পাঁচিল তোলা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে, কাটেনি রেস। এরই মাঝে আবারও শুরু হয়েছে ক্যাম্পাস চত্বরে সঙ্গীত ভবনে ৯ ইঞ্চির পাঁচিল তোলা নিয়ে বিক্ষোভ। একের পর এক প্রতিবাদ নিয়ে ঝামেলার তাণ্ডব চলছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। কয়েকদিন আগেই পৌষমেলার মাঠে পাঁচিল তোলাকে ঘিরে যে বিক্ষোভ হয়েছিল, তার ঝড় কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই সঙ্গীত ভবনকে কেন পাঁচিল তুলে আলাদা করা হবে সেই নিয়ে তুমুল বিবাদ শুরু হয়েছে ? সেই প্রতিবাদে শান্তিকেতনের বাসিন্দা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা তুমুল ভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে। প্রায় ৯ ইঞ্চির পাঁচিল তোলা হয়েছে ক্যাম্পাসের ভিতরে। যার দ্বারা সঙ্গীত ভবন ও আবাসিকাদের থাকার জায়গাকে আলাদা করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীদের কথায়, এই পাঁচিল তোলার অর্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে দর্শন চিত্র ফুটে উঠেছিল এতকাল যাবত , তার বিরুদ্ধাচরণ করা হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, ১৯২১ সালের তৈরি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নেপথ্যে যে ভাবনা ছিল তা নষ্ট করা যাবে না। জানা গিয়েছে রবি ঠাকুরের গান গেয়ে, প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে প্রতিবাদকারীরা।

বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে সমাজের প্রায় সব মহল । তার প্ররোচনায় এবং নির্দেশে এই কাণ্ডগুলি একের পর এক হয়ে যাচ্ছে বলে জনগন মনে করছে । উল্লেখ্য কয়েকমাস আগেই করোনা আবহেই বিশ্বভারতীর উপাচার্য জানিয়েছিলেন , এ বছর থেকে পৌষ মেলা করা যাবে না । শুধু তাই নয় এ বছরের মত আগামী বছরও করা যাবে না বসন্ত উৎসব । বসন্ত উৎসব , তারপর পৌষমেলা নিয়ে আগের থেকেই মনের মধ্যে রাগ জমতে শুরু করেছিল । এরপরে মাঠকে পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দেওয়া এবং সঙ্গীত ভবনে পাঁচিল তোলার ফলে সেই আগুনে ঘি পড়ল বলে পড়ুয়া থেকে স্থানীয়রা মনে করছেন ।