আই লিগের রং সবুজ মেরুন, দেশের সেরা মোহনবাগান

বিনোদন
স্বপ্ন পুরণ৷ বেইতিয়ার দৌড়৷ পাপার লাল্ট টাচ৷ ব্যাস৷ এবারে মতো জাতীয় লিগ ঘরে এল মোহনবাগানের৷ বাকি দলের থেকে অনেকটা এগিয়ে থেকে আইলিগ ঘরে তুলল সবুজ মেরুন শিবির৷

কাল খোলা মনে রং খেলেছিলেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা৷ কর্মকর্তাদের মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, খেলা যেন হয়েই গিয়েছে৷ টগবগে ভিকুনা বাহিনীকে এতটা আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল, মনে হচ্ছিল আজ শুরুতেই ম্যাচ গুটিয়ে দেবেন তাঁরা৷ কিন্তু বিষয়টা ততটা সহজ ছিল না৷ প্রথমার্ধে দু’দলই ছিল সাবধানী৷ কারোর মধ্যেই গোলের খিদে তেমন দেখা যাচ্ছিল না৷ দু’জনই সাবধানে একে অপরকে বুঝে নিতে চাইছিল৷ কিন্তু প্রথমার্ধের পর যেন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল পরিচিত মোহনবাগান৷ একের পর এক পাস খেলে গঙ্গা পাড়ের ক্লাব যেভাবে দেশের প্রায় সমস্ত দলকেই ঘোল খাইয়ে রেখেছে, সেই খেলাটাই দেখা গেল দ্বিতীয়ার্ধে৷ তবু, গোল মুখ যেন খুলছিলই না৷ শেষে সেই পরিত্রাতা হয়ে দেখা দিলেন বেইতিয়া৷ আইজলের অর্ধে দু’দিকে প্রায় জনা তিনেক রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে কাটিয়ে ডানদিকে অরক্ষিত পাপার পায়ে নিশ্চিত গোলুমখের বল সাজিয়ে দিলেন৷ ঠিক দুটো টাচ৷ ডি বক্সের কয়েক ইঞ্চি বাইরে থেকে বল ধরে গোলকিপারের ডানদিক দিয়ে বল পাঠিয়ে দিলেন জালে৷ ফেটে পড়ল মোহনবাগান জনতা৷ ব্যবধান বাড়তে পাড়ত৷ শুভ ঘোষ মাঠে আসার পর আইজলের নাভিঃশ্বাস ওঠার জোগাড় হয়েছিল৷ তখনই একবার বারে লেগে ফের আসে পাপার শট৷

এবারে আই লিগ জিতে নতুন রেকর্ড করল মোহনবাগান৷ এর আগে একমাত্র গোয়ার ডেম্পো লিগের চার রাউন্ড বাকি থাকতেই খেতাব ঘরে তুলেছিল৷ এবার সেই রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল মোহনবাগান৷ উত্তাল কল্যাণীতে খেলা শেষের পর তাই যেন স্বপ্ন রচনা হল নতুন৷ ২০১৫ সালের পর মোহনবাগান খেতাব ঘরে তুলল৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *