Monday , 18 , Jan-2021

Top Stories
  1. নন্দীগ্রামে মমতাকে ৫০ হাজার ভোটে হারাব, হারাতে না পারলে ছেড়ে দেব রাজনীতি, চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
  2. মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গো–ব্যাক পোস্টার নন্দীগ্রামে
  3. নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটে লড়ার ইচ্ছে প্রকাশ মমতার, নির্দেশ দিলেন সুব্রত বক্সিকে
  4. সুর বদলাচ্ছে প্রসূন, দাবি কর্মসূচির অনেক খবর মেলে না
  5. কুণালের বিরুদ্ধে পাল্টা মুখ খুললেন শিশির, কোন যোগ্যতায় ১৬ লক্ষ টাকা বেতন পেতেন?
  6. ভোটে অশান্তি হলে ঘাড় ধরে সরিয়ে দেব,জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের চরম হুঁশিয়ারি উপ-নির্বাচন কমিশনারের
  7. ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বাগবাজারে
  8. মন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় সড়ক অবরোধ, আটকে গেল ভ্যাকসিন বোঝাই গাড়ি
  9. মমতার নিজের ঘরেই বিদ্রোহের সুর, খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের কথায় জল্পনা তুঙ্গে
  10. লোকসভার থেকেও বেশি বাহিনী আসছে বিধানসভা ভোটে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক নির্বাচন কমিশনের
inner-page-banner

বিতর্কিত ৩টি কৃষি আইনে ফের স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইনগুলি কার্যকর করা যাবে না। সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে রফাসূত্র বার করতে গড়া হয়েছে একটি বিশেষ কমিটিও।
আন্দোলনকারী কৃষকদের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত মোট ৮ দফা বৈঠক হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। কিন্তু তাতে কোনও সমাধানই বেরিয়ে আসেনি। কৃষকদের মতামত নিয়ে কেন্দ্র আইনে সংশোধন ঘটাতে রাজি হলেও, আন্দোলনকারীরা তাতে রাজি হননি। বরং সম্পূর্ণ আইন প্রত্যাহারের দাবিতেই অনড় তাঁরা। তাই কমিটি গঠন করে বিষয়টি পর্যালোচনা করাই শ্রেয় বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
কমিটি গড়া ছাড়া আইন ৩টি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করে আদালত। বলা হয়, ‘‘আইন ৩টির বৈধতা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন আমরা। একই সঙ্গে একটানা আন্দোলনের জেরে মানুষের জীবনযাত্রা এবং সম্পত্তির উপর যে প্রভাব পড়েছে, তা-ও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। যতটা সম্ভব সুষ্ঠ ভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি আমরা। ক্ষমতা প্রয়োগ করে আইন স্থগিত রাখতে পারি আমরা। কিন্তু অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত আইন স্থগিত রাখা যায় না। কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত একটি বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়া, এর ফলে বিষয়টি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে। আপনারা যদি অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান, যান। আমরা নিজেদের জন্য এই কপিটি গঠন করছি। যাঁরা সত্যি সত্যি সমাধান চান, তাঁরা এই কমিটির কাছে যাবেন। ওই কমিটি কোনও সিদ্ধান্তও নেবে না, কোনও শাস্তিও দেবে না। গোটা বিষয়টি নিয়ে ওই কমিটি শুধু আমাদের রিপোর্ট দেবে।’’

কিন্তু কৃষকরা কোনও কমিটির সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত নন বলে আদালতে  জানান তাঁদের হয়ে সওয়াল করতে আসা আইনজীবী এমএল শর্মা। তিনি যুক্তি দেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একবারও তাঁদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন দেখাননি। তাই কোনও কমিটির সঙ্গে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু প্রধানবিচারপতি বলেন, ‘‘এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কিছু প্রশ্ন করা যাবে না কারণ এই মামলায় কোনও পক্ষ নন তিনি।’’

You can share this post!

মমতার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র

ক্ষমতার লোভে উগ্রবাদী শিবসেনার হাত ধরেছে কংগ্রেস, মহারাষ্ট্রে এর মাশুল গুনছে সংবাদমাধ্যম-সাংবাদিক

author

Sunday Times Kolkata

By Admin

0 Comments

Leave Comments