Wednesday , 06 , Jul-2022

Top Stories
  1. মা সারদাকে অপমান করেছে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল, চরম ক্ষুব্ধ বেলুড় মঠ
  2. সাত বার কোপ মেরে মাথা কাটা হয়েছে হিন্দু দর্জি কানাইয়ার
  3. সনিয়া গান্ধীর আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
  4. ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তাদের ঢিলেমিতে চরম ক্ষুব্ধ ইমামি কর্তা
  5. টাকার অভাবে এবার পাঠ্যবই ছাপানো বন্ধ করল পাকিস্তান
  6. 30 হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি প্রশ্নের মুখে, ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খেল পর্ষদ
  7. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ বেআইনি, মামলা হাইকোর্টে
  8. পশ্চিমবঙ্গে 70 লক্ষ ভুয়ো রেশন কার্ড, চাল গম বন্ধ করল কেন্দ্র সরকার
  9. দক্ষিণবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ দেখাবে পদ্মা সেতু
  10. 700 গাছের চারা বিতরণ করল টরন্টো ক্যালকাটা ফাউন্ডেশন
inner-page-banner

অনিরুদ্ধ মজুমদার: রাজ্য রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা। শুভেন্দু অধিকারী কী করবেন তা নিয়ে জল্পনার পারদ প্রতিদিনই চড়ছে। এর মাঝেই শুভেন্দু কার্যত হুমকির সুরে জানিয়েছেন ১৯ তারিখ তিনি প্রকাশ্যে কিছু বলবেন। কী ঘোষণা করবেন তা নিয়েও তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবিরেই চাপানোতর বাড়ছে বৈ কমছে না। কিন্তু আচমকা শুভেন্দুর এমন হালচাল বদলে যাওয়ার, কারণ কী? একি, নিছক কাকতালীয় নাকি এর পিছনে রয়েছে কোনও গূঢ় রহস্য? তবে শুভেন্দু একা নন, তৃণমূলের প্রায় একডজন বিধায়ক (বেশিও হতে পারে) আচমকাই দলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। না, দল নয়, আসলে তাঁরা ক্ষুব্ধ প্রশান্ত কিশোরের উপর। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটে কখনও শাসকদলের হয়ে কখনও আবার বিরোধী দলের হয়ে ভোট স্ট্র্যাটেজি বা রণকৌশল ঠিক করেছেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি নিজেকে ভোট কৌশলি হিসেবে পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। ভোট কীভাবে পরিচালিত হবে, রাজনৈতিক নেতারা কীভাবে হাঁটবেন, হাত নাড়েবন তা সব কিছুই তিনিই ঠিক করবেন। বিনিময়ে নেবেন মোটা টাকা। এক কথায় রাজনৈতিক নেতাদের বা যে দলের হয়ে তিনি কাজ করবেন তাদের মেন্টর হবেন পিকে। এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু গোল বাঁধল পিকে'র ফিকে হয়ে যাওয়া ইমেজ। পিকে যে সব নির্বাচনে সাফল্য পেয়েছেন তা নয়, বরং তাঁর ঝুলিতে ব্যর্থতার তালিকা দীর্ঘ। এমনকি যে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন সেই জেডিইউ ফের বিহারের ক্ষমতায় এসেছে। জেডিউ থেকে পিকে সরে যাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বটেই বিজেপি বিরোধী অনেক নেতাই উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। তাদের মনোভাব ছিল অনেকটা এরকম যে, এবার নিতিশ কুমার কে কে বাঁচায় দেখি। কিন্তু আদতে দেখা গেল পিকের ইমেজ ধুলিস্যাৎ করে জনতা জনার্দন ভরসা রাখলেন সেই নীতীশ কুমারের ওপরই। তার মানে স্পষ্ট পিকে বিধাতা নন। তাহলে প্রশান্ত কিশোরকে এত প্রাধান্য দিচ্ছে কেন তৃণমূল সুপ্রিমো? যেখানে পিকের জন্য একের পর এক বিধায়ক দল ছাড়ছেন সেখানে অযথা জেদ, একগুয়ি করে লাভটা কার হচ্ছে? বরং ক্রমেই ক্ষতির দিকে ঝুঁকেছে তৃণমূল।কয়েক মাস বাদেই রাজ্যে বিধানসভার ভোট, তার আগে বর্তমান বিধায়কদের চটিয়ে, তাঁদের হাতছাড়া করে দলেরই ক্ষতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ বাংলার রাজনীতি নিয়ে সম্পুর্ণ অজ্ঞ প্রশান্ত কিশোর। ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলায় রাজনীতি চলে না। তাঁর মনোভাবে বাংলার ভোটও সম্ভব নয়। তা সম্ভবত জানেন তৃণমূল সুপ্রিমো, কিন্তু তারপরও যেভাবে পিকের উপরই আস্থা রেখেছেন তিনি তাতে হতবাক রাজনৈতিক মহল। অনেকেই বলছেন, আদতে এখানে তৃণমূলকে নিয়ে না ডোবে পিকের জাহাজ!

You can share this post!

রাজ্য পুলিশ মহলে দুশ্চিন্তার মেঘ, তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের তালিকা তৈরি দিল্লির, বদলি করা হবে ভিন রাজ্যে

বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নিজে হাতে বাছবেন অমিত শাহ

author

Sunday Times Kolkata

By Admin

0 Comments

Leave Comments