Wednesday , 06 , Jul-2022

Top Stories
  1. মা সারদাকে অপমান করেছে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল, চরম ক্ষুব্ধ বেলুড় মঠ
  2. সাত বার কোপ মেরে মাথা কাটা হয়েছে হিন্দু দর্জি কানাইয়ার
  3. সনিয়া গান্ধীর আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
  4. ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তাদের ঢিলেমিতে চরম ক্ষুব্ধ ইমামি কর্তা
  5. টাকার অভাবে এবার পাঠ্যবই ছাপানো বন্ধ করল পাকিস্তান
  6. 30 হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি প্রশ্নের মুখে, ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খেল পর্ষদ
  7. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ বেআইনি, মামলা হাইকোর্টে
  8. পশ্চিমবঙ্গে 70 লক্ষ ভুয়ো রেশন কার্ড, চাল গম বন্ধ করল কেন্দ্র সরকার
  9. দক্ষিণবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ দেখাবে পদ্মা সেতু
  10. 700 গাছের চারা বিতরণ করল টরন্টো ক্যালকাটা ফাউন্ডেশন
inner-page-banner

রাষ্ট্র শক্তির প্রত্যক্ষ মদত ছাড়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বা হিংসা ছড়ায় না। একথা আমাদের নয়, বহু বছর আগে সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ এবং রাজনীতিবিদরাও একথা বারবার বলে গিয়েছেন। একথা নতুনও নয়। সুতরাং গত প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে হিংসার ছবি ধরা পড়েছে তাতে রাজ্য সরকারের প্রত্যক্ষ মদত যে আছে তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। সরকারের মদত না থাকলে হিংসা ব্যাপক কলেবর ধারণ করবে না। পাশাপাশি পুলিশও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না। সুতরাং রাষ্ট্র শক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত আছেই। থাকতেই হবে। কিন্তু  প্রশ্নটা হল কেন? কেন রাষ্ট্র দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে, দুই ধর্মের মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরী করবে? এর সহজ এবং এক কথায় উত্তর হল, ভোঠ রাজনীতির কারণে। রাষ্ট্র শক্তি সর্বদাই মানুষকে ভোটার বলে গণ্য করে। তাদের কাছে মানুষের অস্তিত্ব এবং পরিচয় একটাই, তারা ভোট যন্ত্র। তারা স্রেফ ভোট দান করতেই পৃথিবীতে এসেছে। এবং এই কাজ ছাড়া অন্য কোনও কাজে তাদের ব্যবহার যতটা সম্ভব পরিহার করা উচিত। বাংলায় মুসলিম ধরর্মাবলম্বি ভোটারদের আশীর্বাদেই সরকার ক্ষমতায় আসে। তা খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রকাশ্যে বলেন। 'দুধ দেওয়া গোরু' (মুখ্যমন্ত্রীর কথায়) তার লাথিও হজম করতে হয়। সেই লাথিই হজম চরছে রাজ্য সরকার। একের পর এক বাড়ি, দোকান, গাড়ি পুড়িয়ে দিচ্জে দুধেল গাইরা কিন্তু সরকার বা পুলিশ নির্বিকার। লাথি হজম করতেই হবে বস। ভোট দিয়ে ক্ষমতায় যারা এনেজে সেই মুসলমানদের কিছু বলার সাধ্য মমতার নেই। তাতে যদি কয়েক হাজার হিন্দু মরে তো মরুক। হিন্দুদের প্রতি তো মমতার দায়বদ্ধতা নেই। যদিও সে একজন হিন্দু। সুতরাং মানুষ মরুক। কিন্তু মুসলমানদের কিছু বলা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানরা খুন করতে পারে। তাতে তাদের শাস্তি হবে না। যদি শাস্তি হয় তবে সেই অপরাধে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে হিন্দুদের। মমতা বেগমের রাজত্বে এটাই আইন। কাশ্মীরের থেকেও এখন ভয়ানক পশ্চিমবঙ্গ।

You can share this post!

"মেয়ের স্কুলে অ্যাডমিশন হচ্ছিল না", তাই তৃণমূলে যোগ দিলেন 'অপদার্থ' বাবুল

হাইকোর্টকে চ্যালেঞ্জ, সিবিআই তদন্ত এড়াতে সুপ্রিমকোর্টে মুখ্যমন্ত্রী

author

Sunday Times Kolkata

By Admin

0 Comments

Leave Comments