Tuesday , 25 , Jan-2022

inner-page-banner

সুরজিৎ আঁকুড়ে:- বর্তমানে প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে  প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । তাঁর দলে ছড়ি ঘোরানো অনেকেরই পছন্দ না  । রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়ার মূল কারণ হল প্রশান্ত কিশোর। তাই ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন শুভেন্দু।
শুধু শুভেন্দুবাবু নন, তৃণমূলের অন্দরে অনেকই এব্যাপারে ক্ষুণ্ণ। তারা অনেকে প্রশান্ত কিশোরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাই তৃণমূল সুপ্রিমো এবার অন্য ভাবনা ভাবতে শুরু করেছেন। প্রশান্ত কিশোরের কৌশলের সঙ্গে তিনি নিজের ভোট মেশিনারিকেও কাজে লাগাতে তৎপর হয়ে উঠেছে।কেননা শুধু প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শ মেনে তৃণমূল স্বচ্ছ মুখ তুলে ধরছে না। তাই ছত্রধর মাহাতোকে তৃণমূল সংগঠনে নিয়ে এসেছে জঙ্গলমহলে কাজে লাগাতে। একই সঙ্গে পাহাড় পুনরুদ্ধারে বিমল গুরুংকে মাঠে নামাতে চাইছে তৃণমূল। এখন দেখার পাহাড় বা জঙ্গলমহল ছাড়া উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের নড়বড়ে অবস্থার কীভাবে পরিবর্তন ঘটায়। 
তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ২০২১-এর ভোট শুধু হ্যাটট্রিকের জন্য নয়, এই লড়াই প্রেস্টিজেরও। তিনি দলকে রক্ষা করতে শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়বেন। ২০১৯-এর থেকে শিক্ষা নিয়েই তিনি ২০২১-এর টিম তৈরি করবেন।

You can share this post!

সব মন্দির ভেঙে মসজিদ হবে, হুমকি খোদ তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতার, চুপ প্রশাসন

অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পথে

author

Sunday Times Kolkata

By Admin

4 Comments

  • MD JULFIKAR MOLLICK , 2020-11-14 08:45:50

    সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন। দিদি পুরানো কর্মিদের আনতে বলছেন কিন্তু বাস্তবায়িত হচ্ছে না। নিচু স্তর পর্যন্ত দূরনীতি হচ্ছে, বিশেষ করে পঞ্চায়েত গুলোতে দূরনীতির জাদুঘর পরিণত হয়েছে । অবশ্যই পাটি লেবেলে ,নিচু থেক উচ্চ নেতা দের, তাদের প্রতি জনগনের রিপোর্ট নিয়ে স্টেপনিতে হবে। যুবোতৃণমল ও মাদের সঙ্গে যে মনোমালিন্য সর্বত্রেই হচ্ছে, দিদি কে নিজে হাতে এর সমাধান করতে হবে।দলের মধ্যে থেকে সুযোগ নিচ্ছে, কিন্তু চিন্তা ভাবনা করছে পাটি দুরবোল হলেই বিজেপি তে যাবো ,এই রকম নেতা বেশি হয়েছে, এদের কে চিহ্নিত করতে হবে। প্রতিটি পঞ্চায়েত দুটো, তিনটে ছেলেকে ,দিয়ে ,উপড়ের উল্লেখিত খবর গুলো, দিদি যাতে সরাসরি খবর গুলো এদের মাধ্যমে পাই সেই ব্যবস্থা করতে হবে,,।

  • Debabrata Mondal Mondal , 2020-11-14 10:53:08

    আমি জানি যে এটিই সঠিক সিধান্ত।কিন্তু যদি এটা বাস্তবায়ন হয়।আমি আমার মা য়ের অসম্মান কিছু তেই মেনে নেবোনা।মা নিজে হাতে এর সমাধান করুক যেখানে আমরা যারা দলটা ভালোবাসি তাদের দায়িত্ব নিতে হবে বিনা সার্থে।

  • Aravinda Ghosh , 2020-11-17 01:30:14

    আসলে বিজেপি সহ অন্য বিরোধী দলগুলো 'পিকে'-কে যমের মতো ভয় করে। তাই তো 'পিকে' নিয়ে ওদের এত কটূক্তি, .. ওরা এত সোচ্চার। এর আগেও 'পিকে' অনেক রাজ্যে কাজ করেছেন, খোদ কেন্দ্রীয়ভাবে বিজেপির‌ও ভোট কুশলী ছিলেন ২০১৪ সালে। বিগত নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিল্লি, নীতিশের বিহার ছাড়াও ওয়াই এস জগমোহন রেড্ডির অন্ধ্রপ্রদেশের ভোটৈর দায়িত্বেও তিনি ছিলেন। এছাড়া মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটে কখনও শাসকদলের হয়ে কখনও আবার বিরোধী দলের হয়ে ভোট রণকৌশল তৈরি করেছেন প্রশান্ত কিশোর। কই, তখন তো তাকে নিয়ে কোনো বক্রোক্তি হয়নি। তিনি তাঁর দক্ষতা দিয়ে নিজেকে বার বার প্রমাণ‌ করেছেন। আসলে জংগলমহল, উঃবঙ্গকে ঘুরতে দেখে বিজেপি, ক়ংগ্রেস, বামেদের মধ্যে একরকম ত্রাসের সঞ্চার হয়েছে। এটা লক্ষনীয়। তাই তৃণমূলেকে রুখতে ওরা এখন এক‌ই থালায় ভাত খাচ্ছে। এ'যেন মাণিক-জোড়ের সম্পর্ক। তৃণমূল কংগ্রেসকে ওদের একেবারে কমন শত্রু ও প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছে। তাই কখনও শুভেন্দু, কখনও শীলভদ্র ইত্যাদি ইত্যাদি অস্হিরমতিদের সাহায্যে কুৎসা রটিয়ে 'পিকে'-কে নিরস্ত্র করার চেষ্টা করছে। এখনো অব্দি অতি সুনিপুণভাবে উনি যা যা করেছেন তা অদ্ভুত ও অভাবনীয়। আশা করা মতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তিনি এবার‌ও তৃণমূলকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবেন।

Leave Comments