“পিঠে যতটা সহ্য হয় পেটান, লাল ডায়েরিতে লিখছি, সুদে-আসলে ফেরত দেব।”- হুমকি দিলীপের

খবর রাজনীতি-সামাজিক

রিমি রায় – রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বেজায় চটেছেন রাজ্য পুলিশের উপর।আর পুলিশকে তাই হুঁশিয়ার করে তিনি বললেন, “পিঠে যতটা সহ্য হয় পেটান, লাল ডায়েরিতে লিখছি, সুদে-আসলে ফেরত দেব।”
তিনি আরও বললেন, “সেই বিপ্লবী আমলে কেউ বন্দে মাতরম বললে পুলিস তাঁর পিছনে লেগে যেত। আজকে দিদি পুলিসের কাজ ওটাই বিজেপি লোকদের খুঁজে খুঁজে বার করা কেস দেওয়া । তাঁদেরকে পেটানো।” এখানেই শেষ নয় তিনি রীতিমতো গর্জে উঠে বললেন , “পিটিয়ে নিন …আমি বলছি পেটান ততটাই পেটান পরবর্তীকালে যতটা হজম করতে পারবেন।ততটাই পেটান যতটা সহ্য করতে পারবেন পিঠে । কারণ সুদ সহ তো ফেরত দেব আমরা। এত সহজে ভুলে যাবো না লাল ডাইরিতে লিখে রাখছি সব ।সুদ বাড়ছে দিনকে দিন।”
এদিন সকালে রাজারহাট চাঁদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদ্যাধরপুর এলাকায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ চায়ে পে চার্চতে যোগ দেন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থক ও স্থানীয় নেতৃত্ব । এই মঞ্চে দিলীপ ঘোষ বক্তৃতা শুরু করে রামের নাম করে।গতকাল ভূমি পুজোর কথাও তোলেন এই মঞ্চে।
সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাধা সত্ত্বেও পুজো করতে গিয়ে অনেকে মার খেয়েছেন কেস খেয়েছেন। পুলিস গিয়ে গাড়ি করে তুলে নিয়ে গেছে জেলে। এখানে অপরাধীরা, খুনিরা, ধর্ষকরা, তোলাবাজরা ঘুরে বেড়াচ্ছে তার গায়ে পুলিস হাত দিতে পারে না। কিন্তু যারা রামের পুজো করছে মন্দিরে ভজন করছে তাদের পুলিস তুলে নিয়ে যাচ্ছে। কী রাজত্ব চলছে!”
এছাড়াও তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “কংশের রাজত্ব শুরু হয়ে গেছে। মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্ব শুরু হয়ে গেছে। উল্টো ব্যাপার ভালো কাজ করলে পুলিসের লাঠি খেতে হবে, আর চুরি ডাকাতি করলে পলিসের সঙ্গে বসে চা খেতে পারবে। মহম্মদ বিন তুঘলকের আত্মা দিদিমণির ওপর ভর করেছে।”