স্ত্রী খুনে অভিযুক্ত এবিপি আনন্দের সাংবাদিক অর্ণব

খবর

অর্নব মুখার্জ্জী ABP আনন্দের নাম করা সাংবাদিক। সুনন্দার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে মাত্র ৩ বছর। জানা গিয়েছে, বিয়ের পরেও হুগলী জেলার কোন্নগরের একটি বিবাহিতা মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ে অর্ণব। আর সেটা কোনো ভাবে জানতে পারে অর্ণবের স্ত্রী সুনন্দা। তারপর থেকে সুনন্দার সাথে চলতে থাকে মানসিক অত্যাচার। অর্ণবের জামাইবাবু আনন্দবাজার পত্রিকার হুগলির সাংবাদিক গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও একই ভাবে অ্যাচার চালিয়ে যেত। মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের জন্য আজ উত্তরপাড়ার মানিকতলা এলাকার অর্ণবের নিজের বাড়িতে গলায় গামছা দেওয়া অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছেতে দেখা যায় অর্ণবের স্ত্রী সুনন্দা চক্রবর্তীর দেহ। যদিও পাড়ার লোকজন বলে প্রতিদিন রাতে অর্ণব মারধর করতো সুনন্দা কে। এমনকি অর্ণবের জামাই বাবু গৌতম, তিনি ঝামেলা না মিটিয়ে উল্টে তিনিও মারধর করতেন সুনন্দা কে। তাই সুনন্দা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না বলে জানিয়েছে প্রতিবেশীরা।পাড়ার লোকজনদের দাবি ওকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে।জানা গিয়েছে অর্নব প্রতিদিন ডিভোর্স দেওয়ার জন্য চাপ দিতো সুনন্দাকে। তাহলে কি ডিভোর্স দেয়নি বলেই মেরে ঝুলিয়ে দিলো অর্ণব ও তার জামাইবাবু গৌতম। এ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
যদিও অর্ণব ABP আনন্দ ও তার জামাইবাবু গৌতমবাবু আনন্দ বাজার পত্রিকার ডাকাবুকো নাম করা সাংবাদিক। সেই জন্য প্রভাব খাটিয়ে সব ধামাচাপা দিয়ে দেওয়ায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা দুজনেই। সূত্রের খবর, তাদের সঙ্গে পুরোপুরি মদত দিচ্ছে হুগলী জেলার তৃণমূল সভাপতি দিলীপ যাদব।
ক্ষমতার অপব্যবহার করছে এই দুই সাংবাদিক ও তৃণমূল জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব।সবাই এক সাথে এলাকার মানুষ কে দমিয়ে রেখেছে।
পাড়ার লোকজনদের দাবি এই ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে ABP আনন্দের সাংবাদিক অর্ণব ও আনন্দ বাজার পত্রিকার সাংবাদিক গৌতম ও তৃণমূল জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবের।