লকডাউন তুলেই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ঘোষণায় যৌক্তিকতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন!

খবর রাজনীতি-সামাজিক

করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশ জুড়ে চলা চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে রবিবার৷ তার পরে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না তা নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালাচ্ছে কেন্দ্র৷ এরই মধ্যে শুক্রবার রাজ্য থেকে কার্যত লকডাউন তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নয়া ফরমান, জুনের প্রথম সপ্তাহেই খুলছে সব অফিস, কারখানা এমনকি ধর্মীয় স্থানও। শুধু তাই নয়, ফলাও করে তিনি জানান, ১০০ শতাংশ কর্মী অফিসে আসবেন। যদিও এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঢোক গিলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ট্যুইট করে তিনি জানান, ১০০ নয় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কর্মী আসবেন অফিসে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, পুরোদমে সরকারি বা বেসরকারি অফিস, দোকান বাজার চালু হলেও কর্মীরা আসবেন কীভাবে? অধিকাংশ কর্মীই শহরতলীর বাসিন্দা, লোকাল ট্রেন না চললে তাঁরা আসবেন কীভাবে? উত্তর দেননি মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি জানান, বাসে এতদিন ২০ জন যাত্রীর বেশি বহন করা যাবে না বলে যে নীতি চালু করা হয়েছিল, তাও শিথিল করে বাসে ‘যত সিট তত যাত্রী’ নীতি নেওয়া হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরণের বাসের ক্ষেত্রেই তা প্রযোজ্য হবে৷ এখানেও প্রশ্ন উঠছে, সামাজিক দূরত্বের কী হবে? বাসের সব যাত্রী কি একসঙ্গে নিয়ম মানবেন?

লকডাউনের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকাররের অবস্থান জানার আগেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও ছাড় দেওয়ার যে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, তাঁকে লকডাউন তুলে দেওয়ারই নামান্তর বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল! তাঁদের মতে, কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই যা খুশি বলে দিলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *