করোনাতেও থামছে না বিজেপি, প্রচার চলছে ‘আর নয় অন্যায়’-এর

খবর রাজনীতি-সামাজিক

‘‘আর নয় অন্যায়ে” কোন ”অন্যায়” নেই।  সাফাই দিল বিজেপি। করোনা সংক্রমনের আশঙ্কায়, পুরভোট পেছনোর পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপির সাংসদ  সুভাষ সরকার।  যদিও, “বাংলার গর্ব মমতা” কে  রুখতে বিজেপির “আর নয় অন্যায়” পাল্টা কর্মসূচিতে কোন আশঙ্কা দেখছে না বিজেপি। পুরভোটকে সামনে রেখে বিধানসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিয়েছিল তৃণমূল, বিজেপি।
১ মার্চ শহীদ মিনারে মমতার ”দিদিকে বলো”র জবাবে “আর নয় অন্যায় ” শ্লোগান দলের নেতা, কর্মীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন অমিত শাহ৷ ২৪ ঘন্টা না কাটতেই, নেতাজী ইন্ডোর থেকে অমিতের পাল্টা  ”বাংলার গর্ব মমতা ” শ্লোগান দিয়েছিলেন মমতা। শ্লোগান পাল্টা শ্লোগানে যখন ভোটের ময়দান জমে যাবে বলে ভাবছিল আম জনতা, তখন ময়দানের সব হিসেব ওলট পালট করে চলে এল কোরনা আতঙ্ক। কথা ছিল, পুরভোটের প্রচারের ফাঁকেই সিএএ নিয়ে মানুষের মনোভাব বুঝতে কলকাতার ১৪৪ টি ওয়ার্ডের মানুষের কাছে পৌঁছবে বিজেপি৷ সেই লক্ষ্যে ১৩ থেকে ১৫ মার্চ কলকাতা সহ রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি ঘোষণা করে বিজেপি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, কোরনার দাপটে বাংলার গর্ব মমতার হোর্ডিং রক্ষা পেলেও, ‘আর নয় অন্যায়’ শ্লোগান নিয়ে ময়দানে নেমে হালে পানি পাচ্ছিল না বিজেপি। সিএএ প্রসঙ্গ ছেড়ে করোনা সচেতনতা প্রচারকে হাতিয়ার করেও দিশাহীন অবস্থা টের পাচ্ছিলেন নেতারা। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশ, করোনা সচেতনতা প্রচারকে হাতিয়ার করে প্রাসঙ্গিক থাকতে হবে পুরভোটে। ফলে ময়দান ছাড়তে নারাজ বিজেপির সাফাই, ”তাঁরা বড় জমায়েত তো করছেনই না।  আর কোনও অসুস্থ মানুষকেও প্রচারে সামিল করছেন না। ফলে তাঁদের প্রচার কর্মসূচিতে আপত্তির কোন কারণ থাকতে পারে না।” বিজেপির এই যুক্তি শুনে বাম, কংগ্রেস বলছে,” প্রবাদ আছে, ধূর্তের ছলের অভাব হয় না। বিজেপির অবস্থা সেটাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *